যে ৭ কারণে রাতে বাইক চালানো অনিরাপদ

সোমবার, নভেম্বর ১৪, ২০২২

ঢাকা: মোটরসাইকেল বা বাইক চালানো অনেকের কাছেই আনন্দের। একেক জনের কাছে এর ব্যবহারে ভিন্নতা রয়েছে। কেউ শখের বশত চালান, কারও কাছে এটি আভিজাত্য প্রকাশের মাধ্যম, কারও কাছে এটি নিত্য প্রয়োজনীয়।

তবে অনেকেই রাতে বাইক নিয়ে ঘুরতে পছন্দ করেন। বাইক সব সময় ঝুঁকিপূর্ণ বাহন। তবে বেশ কিছু কারণে রাতে বাইক চালানো বেশি অনিরাপদ। এক নজরে দেখে নিন কারণগুলো।
কম আলো

মানুষের চোখ এমনভাবে তৈরি, যা অল্প আলোতে ঠিকমতো কাজ করে না। দিনের বেলার বাইক চালানোর সময় আশেপাশের সবদিক যতটা স্পষ্ট দেখা যায়, রাতের বেলা তা যায় না।

এ ছাড়া বৃষ্টি, কুয়াশা, ধোঁয়ার কারণে বাইকার ও অন্য যানবাহনের চালকরা ঠিকমতো সব নাও দেখতে পারেন। ফলে দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া

আবহাওয়া পরিস্থিতি খুব গুরুত্বপূর্ণ রাতে বাইক চালানোর ক্ষেত্রে। দিনের চেয়ে রাতের আবহাওয়া ঘনঘন পরিবর্তন হয়। উপরন্তু, রাতে বৃষ্টি, কুয়াশা, ধুলো এবং ধোঁয়াটে পরিস্থিতি খুবই সাধারণ। এগুলোর কারণে রাতে বাইক চালানো ঝুঁকিপূর্ণ।
নিয়ন্ত্রণ ইস্যু

দিনে রাস্তায় বাইক চালানো যতটা সহজ, রাতে ততটা নয়। আবহাওয়ার অবস্থা, আর্দ্রতার পরিবর্তন ইত্যাদি রাস্তার উপরিভাগে প্রভাব ফেলে। আর বৃষ্টি, কুয়াশা, ধুলিকণা ইত্যাদি রাতে রাস্তায় প্রভাব ফেলে। যা বাইক নিয়ন্ত্রণ, ব্রেক ইস্যুতে সমস্যা সৃষ্টি করে।
যান্ত্রিক ত্রুটি

বাইক বা যেকোনো যানবাহনে যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দিতেই পারে। ধরুন, রাতে বাইকের তেল শেষ হয়েছে। দিনের বেলা যত সহজে অন্যের সাহায্য পাবেন, রাতে তা পাবেন না। এ কারণে রাতে দূরের যাত্রায় বাইকে যেতে নিরুৎসাহিত করা হয়।
আত্মবিশ্বাসের অভাব

রাতে যারা বাইক চালান তাদের অনেকের আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি দেখা যায়। রাতে ফাঁকা রাস্তায় বাইক চালালে বাইকারের মনে নানা ধরনের চিন্তা কাজ করতে পারে। এ ছাড়া ঘুমন্ত ভাব কাজ করতে পারে।
বিরতি এবং রিফ্রেশমেন্ট ইস্যু

জ্বালানি, রিফ্রেশমেন্ট ও খাবারের জন্য একজনকে বাইকারকে থামতেই হয়। দিনের বেলা এটা খুব সহজ। এমনকি দিনের বেলা অপরিচিত জায়গায় বাইকার বিশ্রাম নিতেই পারেন। কিন্তু রাতের চিত্র ভিন্ন। যেকোনো প্রয়োজনে বা সমস্যা হলে কোথাও দাঁড়ানো মোটেই নিরাপদ নয়।
নিরাপত্তা

রাতে বাইক চালানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রাতে বাইকারের দৃষ্টিশক্তি কম কাজ করে, ফলে দূরের অনেক কিছু দেখা যায় না। এ কারণে রাতে দুর্ঘটনা বেশি ঘটে।

এ ছাড়া চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বেশি হয় রাতে। এমনকি অপরিচিত জায়গায় গ্রুপ মিলেও যদি রাতে বাইকভ্রমণ করা হয়, সেটাও নিরাপদ নয়।